
দেশে সাক্ষরতার সংজ্ঞায় বড় পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শুধু পড়তে-লিখতে পারা নয়, এবার সাক্ষরতার সঙ্গে ডিজিটাল জ্ঞান, মৌলিক গণিত, জীবিকাদক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সক্ষমতাকেও যুক্ত করা হচ্ছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জ্ঞান কাজে লাগানোর সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে সাক্ষর মানুষকে আরও দক্ষ ও কর্মমুখী করে তোলাই লক্ষ্য।
বিবিএসের ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশে সাক্ষরতার হার ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ। এখনও প্রায় ৩ কোটি ৭৫ লাখ মানুষ নিরক্ষর। এ অবস্থায় কার্যকর সাক্ষরতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্কদের দক্ষতা উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সরকার ২০৩১ সালের মধ্যে দেশের সাক্ষরতার হার ৮৬ থেকে ৯০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। পাশাপাশি প্রাক-বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল সাক্ষরতা ও জীবিকাদক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষাবিদদের মতে, শুধু কাগজে সাক্ষরতার হার বাড়ানো নয়—সাক্ষরতার মাধ্যমে মানুষের জীবন ও জীবিকায় বাস্তব পরিবর্তন আনাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।